স্পেশাল হাজারী লাউ 10 গ্রাম বীজ

✅লাউ চাষ পদ্ধতি :
বর্তমানে লাউ চাষে আধুনিক চাষ পদ্ধতি অনুসরণে; ফলন বৃদ্ধির পাশাপাশি লাভবান হচ্ছে কৃষক।
শীতকালে লাউয়ের ফলন বেশি হয়। তবে উচ্চতাপ ও অতিবৃষ্টি সহিষ্ণু ফলে লাউয়ের চাষাবাদ সারা বছর করা যায়।
তবে আপনার এলাকায় কোন জাতের লাউয়ের ( লম্বা না গোল) চাহিদা, সে অনুযায়ী লাউ বীজ বপন করতে হবে। স্পেশাল হাজারী লাউ , নিকলী প্লাস, সুবর্ণ প্লাস গোল বিন্দু লাউ, পল্লবী, নাইস গ্রীন, কচি সহ অনেকগুলো ভাল জাত রয়েছে।
যে জাতের লাউ এর চাহিদা বেশি সেই জাতের চাষ করলে লাভবান বেশি হবেন।
এবার জেনে নিন লাউ চাষের শুরু করার আগে কোন কোন বিষয় আপনার মাথায় রাখতে হবে।
লাউ চাষ পদ্ধতি
জৈব পদার্থ সমৃদ্ধ দো-আঁশ, এঁটেল বা বেলে দো-আঁশ মাটির উঁচু জমি লাউ চাষের জন্য উত্তম।
যেহেতু এটেল মাটি পানি ধরে রাখে, তাই খরা মৌসুমে এটেল মাটিতে লাউয়ের চাষাবাদ ভাল হয়।
বাংলাদেশে শীতও বেশি না, গরমও বেশি না এমন আবহাওয়া লাউয়ের চাষাবাদের বেশি উপযোগী।
শীতকালটা লাউ চাষের জন্য উত্তম। তবে, শীতকালীন আগাম লাউয়ের চাষাবাদ জন্য ভাদ্রের প্রথমে এই সবজির চাষ করা ভাল।
শীতকালে তাপমাত্রা কখনো ১০০ সে. এর নিচে নেমে গেলে, তা লাউয়ের চাষাবাদের জন্য মারাত্মক হুমকিস্বরূপ। দিন ও রাতে তাপমাত্রার পার্থক্য ৮-৯০ হলে ভালো।
জমি ও মাদা তৈরী
লাউ চাষের জন্য জমি নির্বাচন করতে হবে সেচ ও পানি নিকাশের সুবিধাযুক্ত পর্যাপ্ত সূর্যালোক পায় এমন।
লাউ গাছের শিকড় ব্যাপক বৃদ্ধির জন্য উত্তমরূপে জমি ৩-৪ বার চাষ ও মাই দিয়ে মাটি ঝুরঝুরে করে নিতে হবে। যাতে সহজে শেকড় অনেক দুর যেতে পারে।
লাউয়ের চাশাবাদে গোবর বা জৈব সারের ব্যাপক ব্যবহারে ভালো ফলন পাওয়া যায়।
তবে এগুলো জমিতে চাষের আগে প্রয়োগ করে বেড তৈরি করা উত্তম। বেডের উচ্চতা হবে ১৫-২০ সেমি.







