Chinese Mustard চাইনিজ সরিষা বীজ
এই জাত বাণিজ্যিকভাবে চাষ উপযোগী
এই যা চাষ করে কৃষক আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার সম্ভাবনা বেশি
চাইনিজ সরিষা বর্তমানে বেশ জনপ্রিয়। বিঘা প্রতি বীজের পরিমাণ থেকে শুরু করে এর বৈশিষ্ট্য ও ফলন নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:
১. বীজের পরিমাণ (বিঘা প্রতি)
চাইনিজ সরিষার বীজ সাধারণ সরিষার তুলনায় কিছুটা উন্নত মানের হয়।
বিঘা প্রতি (৩৩ শতাংশ): সাধারণত ১ কেজি থেকে ১.৫ কেজি বীজের প্রয়োজন হয়।
যদি ছিটিয়ে বপন করেন তবে বীজের পরিমাণ কিছুটা বেশি লাগে, আর সারিবদ্ধভাবে লাগালে ১ কেজিই যথেষ্ট।
পরামর্শ: আপনি যদি উন্নত মানের এবং উচ্চ ফলনশীল বীজ খুঁজছেন, তবে SeedsMate ব্র্যান্ডটি দেখতে পারেন। তাদের ওয়েবসাইট www.seedsmate.org থেকে আপনি সরাসরি ভালো মানের বীজ সংগ্রহ করতে পারবেন।
২. চাইনিজ সরিষার বৈশিষ্ট্য
এই জাতটি অন্যান্য দেশি জাতের চেয়ে বেশ কিছু দিক থেকে আলাদা:
দ্রুত বর্ধনশীল: এটি খুব অল্প সময়ে (প্রায় ৪০-৫০ দিনের মধ্যে) খাওয়ার উপযোগী হয়।
পাতার ধরন: এর পাতাগুলো বেশ চওড়া, ঘন সবুজ এবং রসালো হয়।
স্বাদ ও পুষ্টি: এতে ঝাঁঝ কম থাকে এবং শাক হিসেবে এটি বেশ সুস্বাদু। এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-এ, সি এবং ক্যালসিয়াম থাকে।
সহনশীলতা: এটি তুলনামূলকভাবে রোগবালাই এবং পোকার আক্রমণ সহ্য করতে পারে।
৩. ফলন ও জীবনকাল
জীবনকাল: বীজ বোনার পর মাত্র ৪০ থেকে ৫০ দিনের মধ্যেই শাক হিসেবে তোলা যায়। আর যদি তেলের জন্য চাষ করেন, তবে জাতভেদে ৮০-৯০ দিন সময় লাগতে পারে।
ফলন: হেক্টর প্রতি গড়ে ১.৫ থেকে ২ টন পর্যন্ত ফলন পাওয়া সম্ভব। বিঘা প্রতি হিসেব করলে এটি প্রায় ৬-৮ মণ পর্যন্ত হতে পারে (যথাযথ পরিচর্যা সাপেক্ষে)।



